ফ্যাসনবাংলা

ফিরে দেখা – বনেদী বাড়ির সাবেকী সাজ

লাইফপ্লাস ম্যাগাজিন এবং সিনেমা ফর এ কজের (Cinema for a Cause) তরফ থেকে কথা বলেছিলাম ঘোষ বাড়ির বর্তমান প্রজন্মের সদস্যা অদিতির সাথে। অদিতির সাথে কথায় কথায় আমরা ফিরে দেখলাম এই ঘোষ বাড়ির ঐতিহ্য মন্ডিত অতীত।

অদিতির পিতা স্বর্গীয় অজিত ঘোষের ঠাকুমা মৃণালিনী দেবী আদতে ছিলেন সাইথিয়ার জমিদার বাড়ির মেয়ে। তিনি কৈশোর বেলা কাটিয়েছিলেন তৎকালীন বাংলার নবাবের অভিভাবকত্বে। দক্ষিণেশ্বরের জমি মৃণালিনী দেবীর পিতার দান করা জমিতে গড়ে উঠেছিল দক্ষিণেশ্বর মন্দির। সেই সাইথিয়ার জমিদার বংশের কন্যা মৃণালিনী বধূ হয়ে আসেন ঘোষ বাড়িতে।

মৃণালিনী দেবীর পৌত্র এবং অদিতির পিতা স্বর্গীয় অজিত ঘোষ ছিলেন অসীম শারীরিক শক্তিধর ব্যক্তিত্ব। বুকের উপর অনায়াসে তুলে নিতেন গাড়ীর মতন ভারী বস্তু। অদিতির ভাই সৌম্যজিত ঘোষ কর্পোরেট সেক্টরে কর্মরত থাকা একজন সিরিয়াস ম্যারাথনার। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ম্যারাথনে অংশ গ্রহণ করেন।

শ্রীমতী স্মৃতি ঘোষ

অদিতি

শ্রীমতী মিনতি ঘোষ

অদিতির মা শ্রীমতী স্মৃতি ঘোষ সেই সময়কার গ্রাজুয়েট। শুধু প্রথাগত শিক্ষা নয় স্মৃতি দেবী অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পারিবারিক আচার অনুষ্ঠান পালন করে চলেছেন তাঁর জীবনের আশীর কোটায় পৌঁছেও। একই সাথে রক্ষনশীলতা অতিক্রম করে তিনি আশ্চর্যজনক ভাবে আধুনিক এবং উদার।

এই পরিবারের যার কথা না উল্লেখ্য করলেই নয় তিনি হলেন অদিতির পিসিমা মিনতি ঘোষ। জীবনের অনেক ঘাত প্রতিঘাত সমলেও তিনি রূপে গুনে অনন্যা। পুঁথিগত বিদ্যায় চিরকাল তিনি ছিলেন প্রথম সারিতে। শিক্ষাগত ভাবে ডবল MA, সঙ্গীতে MA। অসাধারণ গায়িকা। পৃথিবী জুড়ে বহু ভ্রমণ করেছেন। এখনো সমাজসেবায় নিজেকে ব্যস্ত রাখেন।

বলাই বাহুল্য এই পরিবারের মেয়ে হয়ে অদিতি নিজেও একজন বিদুষী। তিনি নৃত্যে পটিয়সী। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যার নিদর্শন রেখে চলেছেন।

Developed By SanccyWebs